আপনার সমাধান পেতে
প্রশ্ন করুন অভিজ্ঞ ডাক্তারদের কাজে
দীর্ঘ আট বছর যাবৎ প্যানিক ডিজঅর্ডার ও প্যানিক এটাক সমস্যায় ভুগছি November 12, 2020
0 Answeredআমি পেশায় একজন শিক্ষক। দীর্ঘ আট বছর যাবৎ প্যানিক ডিজঅর্ডার ও প্যানিক এটাক সমস্যায় ভুগছি, সাইকিয়াট্রিস্ট এখনো দেখাচ্ছি। ক্লোনাজিপাম ১ মি. গ্রা প্রতিদিন খেতে হচ্ছে। কিন্তু রোগ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছি না। যেমনভাবে বর্তমানে আছি, এটাকে স্বাভাবিক জীবন বলে না। দিন দিন অযোগ্য হয়ে যাচ্ছি পরিবেশের সাথে। যেখানে জোরে কথা বলতে পারি না পাঠদানের সময়, বিপদ-আপদ আসলেও রাত জাগতে পারি না, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও কোনো সমস্যায় ঘুমে ব্যাঘাত ঘটলে দিনে ঘর থেকে বের হলে সমস্যায় পড়ি, যানবাহনে উঠতে পারি না, মৃত্যু ও দুর্ঘটনাসহ নেতিবাচক কোনো কিছুই নিতে পারি না। অর্থাৎ অসামাজিক জীব হয়ে যাচ্ছি। সারাক্ষণ শরীর ছটফট, শ্বাসকষ্ট, হৃদকম্পন বেড়ে যাওয়া, রক্তচাপের উঠানামাসহ আতঙ্কে থাকি। এরকম অশান্তি নিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের সময় দেয়া অসম্ভব। সব কাজেই যোগ্যতার ঘাটতি প্রকাশ পায়। ডাক্তার বলছে এটা কোনো ব্যাপার না। কন্ট্রোল করার চেষ্টা করুন। হয়ত আপনারাও বলবেন। স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্যগত সুখ না থাকলে আপনার পক্ষেও এটা অসম্ভব। আমি সবকিছু বুঝি, কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি। কিন্তু রোগের উপসর্গের অনুভূতি তো আমার হাতে নেই। আমি তো ইচ্ছে করলেই শ্বাসকষ্ট বন্ধ করতে পারছি না, প্রেসার কন্ট্রোল করতে পারছি না, নিদ্রাগত সমস্যার সমাধান করতে পারছি না। সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্ট ব্যাপারটা যতটা হালকা বলে, রোগের প্রভাবটা তত স্বাভাবিক নয়। সাইকিয়াট্রিস্ট সমস্যা শুনে কতগুলো ঘুমের ঔষধ দেয়। সারাক্ষণ ঘুমানোর ঔষধ খেয়ে বিছানায় পড়ে থাকার চেষ্টা করলে এমনিতেই তো আমি আরো অচল হয়ে যাব। সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্টের নিকট মাসে কয়েকবার যাওয়ার জন্য ভিজিট বাবদ প্রতিবারে হাজার টাকা, গ্রাম থেকে শহরে যাতায়াত-আমার বেতনের অর্ধেক তো তারাই নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও আছে দুজন ব্যক্তির প্রতিবারে ছুটি এবং ঔষধের দুষ্প্রাপ্যতা। ৮ বছরে এটা সুস্পষ্ট যে, তারা কখনোই চায় না মানসিক রোগীরা সম্পূর্ণরূপে সুস্থ হোক। গত আট বছরে বহুদিন গিয়েছে আমি বলেছি এ সপ্তাহে ভালো বোধ করছি, ঔষধের মাত্রা কিছুটা কমানো যায় কি না দেখুন? কিন্তু রোগের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত একই মাত্রার ঘুমের ঔষধ বাধ্যতামূলক রেখেছে। প্রতিবারে বলছে তাঁকে না জানিয়ে ঔষধ বন্ধ করা যাবে না। পরিবার ও চাকুরি ক্ষেত্রে একজন মানুষকে সপ্তাহে কতদিন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া যায়? আমি পরিবার ও শিক্ষার্থীদের শতভাগ দিতে পারছি না দিনের পর দিন। এটা আমার বিবেককে চরম আঘাত করে। বিস্তারিত বলার উদ্দেশ্য হলো, ঔষধের অনেক পার্শ প্রতিক্রিয়ায় দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। যেমন-নিজের জীবনের প্রতি তিক্ততা ও ধৈর্য্য ক্ষমতা হ্রাস। এক কথায় আত্মহত্যার প্রতি মৌন সমর্থন। ক্লোনাজিপাম ও সিটালোপ্রামের মতো আসক্তির ঔষধ হ্রাস কিংবা প্যানিক ডিজঅর্ডার ব্যাধির স্থায়ী সমাধানে যথোপযুক্ত পরামর্শ প্রত্যাশা করছি। উল্লেখ্য স্ব-উদ্যোগে অনিয়মিতভাবে মেডিটেশন করছি। তাই প্যানিক ডিজঅর্ডারের স্থায়ী সমাধান কী অথবা স্বাভাবিক জীবনযাপনে চিকিৎসক নির্বাচন ও চিকিৎসা গ্রহণে কাদের নির্বাচন করব? এ দীর্ঘ চিকিৎসাকালীন সময়ে ডাক্তারপরিবর্তন করেছি দুইবার এবং বর্তমানে দীর্ঘ দিন ধরে দেখাচ্ছি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের একজন সহযোগী অধ্যাপককে।
স্কুল থেকে সহপাঠীদের বিভিন্ন জিনিস চুরি করে বাসায় নিয়ে আসে November 12, 2020
0 Answeredআমার মেয়ের বয়স ১০ বছর। সে ক্লাস ফোরে পড়ছে। ক্লাস টুতে পড়ার সময় থেকে সে প্রায়ই বাসার বিভিন্ন জিনিস লুকিয়ে রাখত। সে-সময় এটিকে তার খেলা ভেবে তেমন গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু ইদানীং সে স্কুল থেকে সহপাঠীদের বিভিন্ন জিনিস চুরি করে বাসায় নিয়ে আসে। যেটা নিয়ে আমরা সামাজিকভাবে খুব বিব্রত বোধ করছি। এ ব্যাপারে একটু পরামর্শ দিবেন প্লিজ।
যেকোনো কাজেই অস্থিরতা November 12, 2020
0 Answeredস্যার, সালাম নিবেন। আমার ছোট ভাইকে নিয়ে খুব সমস্যায় আছি। ওর বয়স ৩১ বছর। তার সমস্যার শুরু ২০১৫ থেকে। সে কোনো একটি চাকরিতে ঢুকে খুব বেশিদিন স্থায়ী হতে পারে না। এই পর্যন্ত বেশ কয়েকবার চাকরি ছেড়েছে। তার যেকোনো কাজেই অস্থিরতা কাজ করে। সে মনে করে সে কাজ করতে পারবে না। অথচ তার যথেষ্ট যোগ্যতা আছে। যেকোনো কাজেই অস্থিরতা ছাড়াও ইদানীং তার মধ্যে আরো কিছু সমস্যা দেখা যাচ্ছে; সব সময় তার মধ্যে একটা ভয় কাজ করে, একা একা কোথাও যেতে ভয় পায়, সবাইকে সে সন্দেহ করে, বলে তাকে নাকি মেরে ফেলা হবে। এজন্য সে এখন বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-পরিজন সবাইকে এড়িয়ে চলে। কোনো কাজকর্ম করে না, সারাদিন ঘরে বসে থাকে। আমরা তাকে নিয়ে খুব চিন্তিত। এটা কি কোনো কঠিন রোগ? এটা কি কোনো মানসিক সমস্যা? এর কি কোনো সমাধান আছে? প্লিজ, স্যার পরামর্শ দিয়ে উপকৃত করবেন ।
ভুলে যাওয়া সমস্যা বেড়েই যাচ্ছে November 12, 2020
0 Answeredআমার নাম ফারজানা বেগম। বয়স ৩৫ বছর। গৃহিনী। আমার সমস্যা হলো ভুলে যাওয়া , আমি কিছুই মনে রাখতে পারি না। কোনো কিছু করলে সেটা খেয়াল থাকে না। কোনো জিনিস জায়গা মতোই রাখি কিন্তু কোথায় রাখছি তা মনে করতে পারি না। এমনকি চুলায় রান্না বসালেও আমি ভুলে যাই। এভাবে প্রায়ই ভাত তরকারি পুড়ে যায়। দিন দিন আমার ভুলে যাওয়া সমস্যা বেড়েই যাচ্ছে। একারণে সংসারে অশান্তি লেগে আছে। এখন আমি কী করলে এই ভুলে যাওয়া থেকে মুক্তি পাব। আমি আপনাদের কাছে সু-পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করছি।
আমার নাম আতিকুর রহমান। বয়স ৪০। আমি এক সময় খুব ভয় পেতাম, হতাশা কাজ করত অস্তিরতা কাজ করত। ঘুম খুব কম হতো। অনেক সময় ঘুম হতোই না। মাথায় সব সময় কোন না কোন চিন্তা ঘুরতে থাকত। তখন ডাক্তার দেখালে আমাকে Rivotril.5 mg দেন। আজ প্রায় ১৫ বছর এর ধরে Rivotril.5mg খাচ্ছি। এখন অন্য সমস্যা তেমন নেই কিন্তু ঘুম খুব কম হয়। ওষুধ টা বাদ দেয়ার অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু পারি না। ওষুধ বাদ দিলে খুব খারাপ লাগে। আপাতত দয়াকরে আমাকে একটা ওষুধ সাজেস্ট করেন যেটা খেলে আমার ঘুম হবে আর আমি Rivotril টা বাদ দিতে পারবো।
আমার স্ত্রীকে আমি কিভাবে বুঝাতে পারি? November 12, 2020
0 Answeredআমারপাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবন। আমার স্ত্রীর বর্তমান বয়স ২৬ বছর। আমার বয়স ৩৫ বছর। আমার ২০ মাস বয়সী একটি মেয়ে আছে। আমার স্ত্রী মেয়েটাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর জবরদস্তি করে দিনে ৪-৫ বার সুজি এবং গরুর দুধের মিশ্রণ ফিডার দিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ হলো, তাকে মাছ, ভাত, সবজি, তরকারি খাওয়ানো শিখাতে হবে। প্রয়াজনে তাকে দু’এক বেলা ফিডার না দিয়ে তার মধ্যে ক্ষুধা তৈরি করতে বলেছেন। কিন্তু সে ডাক্তারের পরামর্শ মানতে নারাজ। মেয়ে ফিডার না খাইতে চাইলে আমার স্ত্রী প্রায়ই তাকে শারীরিক টর্চার করে এবং ধমক দেয়। রাতে বা দিনে অনেক সময় মেয়েটি না ঘুমাতে চাইলে তাকে শারীরিক টর্চার করে। রাতে বাচ্চারা অনেক সময় বিভিন্ন পজিশনে ঘুমাতে চায় যেমন- কাত হয়ে, চিৎ হয়ে ইত্যাদি। আমার স্ত্রী মেয়েটাকে একটি নির্দিষ্ট পজিশনে শুইয়ে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করে। ঐ পজিশন থেকে একটু নাড়াচাড়া করলেই মেয়েটাকে রাতের বেলায় ঘুমের মধ্যেই ধমক এবং মারধর শুরু করে। মেয়েটা তখন ঘুম থেকে ওঠে আমাকে দেখে বাবা, বাবা বলে চিৎকার করে জড়িয়ে ধরে। আমার স্ত্রীকে শিশুদের খাওয়ানো, পড়ানো, লালন, পালন বিষয়ক বিভিন্ন জার্নাল, বই পুস্তক, অনলাইন মিডিয়ার সহায়তা নেয়ার পরামর্শ দিলেও তাতে সে কখনোই কর্ণপাত করে না। আমার পর্যবেক্ষণ: ১. আমার শিশুটি শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের শিকার ২. আমার স্ত্রীকে মানসিকভাবে অসুস্থ মনে হয় ৩. স্ত্রীকে বুঝিয়ে আমি ব্যর্থ হয়েছি ৪. আমার স্ত্রী কোনো মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতেও নারাজ ৫. মেয়েটার ছোট খাট খেলাধূলাটাকেও সে নিরুৎসায়িত করে ৬. মেয়েটা আমার সাথে থাকতে বেশি পছন্দ করে যদিও আমি তাকে বেশি সময় দিতে পারি না। আমার প্রতি আগ্রহের কারণ, তাকে আমি একটু খেলাধূলার স্বাধীনতা দেই। ছোটখাটো শিশুসুলভ চাওয়াগুলোকে প্রশ্রয় দেই।
আমি কি বিয়ে করতে পারবো? November 12, 2020
0 Answeredআমার নাম রুভেল, বয়স ৩২ বছর, অবিবাহিত। আমি ২০১৩ তে ইউকে তে যাই পড়াশুনা (গ্রাজুয়েশন) করার জন্য। কিন্তু ২০১৩ তে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি তাই পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখেই দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হই। ১ বছর চিকিৎসা করার পর আমি দেশে একটা প্রতিষ্ঠান থেকে আমার গ্রাজুয়েশন শেষ করে এমবিএ করি। আমার চিকিৎসা এখনো চলছে। বর্তমানে আমি একটা বেসরকারী কোম্পানিতে ছোট একটা চাকরি করছি। কিছু দিন আগে আমি YOUTUBE এ আপনার একটা ভিডিও দেখে বুঝতে ও জানতে আমি পারি আমি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ছিলাম এবং একটা সময় এই রোগের সবগুলো লক্ষণই আমার মধ্যে ছিল। আমার চিকিৎসকের কাছে জানতে চাইলে তিনিও বলেন আমি Mild schizophrenia তে আক্রান্ত ছিলাম। এখন আমার মধ্যে Schizophrenia কোন লক্ষণ নেই । তবুও তিনি আমাকে একটি ঔষধ সারাজীবন চালিয়ে যেতে বলেছেন। যা হল- Aripiprazole 10 mg tablet 0+0+1। ইউকেতে থাকার সময় আমি গাঁজাতে আসক্ত হয়ে গিয়ে ছিলাম এবং প্রায় প্রতিদিন গাঁজা খেতাম। যা আমার ডাক্তারের কাছে বলি নাই। এবং আমার পিতা ও schizophrenia তে আক্রান্ত ছিলেন। আমার মায়ের একক চেষ্টায় এবং ডাক্তারের সহযোগিতায় আমি সুস্থ হয়েছি। তবে সিধান্তহীনতায় এখনো ভুগি। আমার প্রশ্ন হলঃ ১। আমি কি কোনদিন ঔষধ বন্ধ করতে পারবো? ২। গাঁজার কারণে কি আমার schizophrenia হয়েছিল? ৩। আমি কি মেডিটেশন করতে পারবো? ৪। আমি কি বিয়ে করতে পারবো? আপনার মতামত দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।
অনকে মানসিক রোগের কারণেই ইরেকটাইল ডিসফাংশন হতে পারে November 12, 2020
1 Answeredআমি সুদীপ্ত। আমার বয়স ২৯। বিবাহিত। নিয়মিত মানসিক অসুস্থতার ঔষধ খাই। আমার অসুখটা হলো অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিসওর্ডার বা (OCD), এছাড়া যৌন উত্তেজনা ও ইরেকশন সমস্যা (ED)। বর্তমানে এই ঔষধ গুলো খাচ্ছি: ১.Tab.Anafranil( clomipramine) 25 mg= 0+0+1 ২.Tab Oxat (paroxetine) 20mg=0+0+1 ৩.Tab Ariprex (Aripiprazole) 10mg=0+0+1(half of 10 mg) ঔষধ গুলো অনেক বছর ধরে খাচ্ছি। বর্তমানে (OCD) অসুখটা নিয়ন্ত্রণে আছে। কিন্তু সমস্যা হলো ইরেকটাইল ডিসফাংশন। এই ঔষধ গুলোর কারণে কি আমার penis ইরেকশনের সমস্যা হচ্ছে? উল্লেখ্য আমার উপরোক্ত রোগ ছাড়া অন্য কোন অসুখ নেই।
সবসময় মনের মধ্যে অশান্তি কাজ করে November 12, 2020
0 Answeredআমার নাম জুয়েল রানা। অনেক বছর যাবত আমি খুব বেশি মানসিক চাপে ভুগছি। সবসময় মনের মধ্যে অশান্তি কাজ করে, কিছু মনে রাখতে পারি না, মাথা ব্যাথা করে। এবং আমি খুব সন্দেহপ্রবণ, সবসময় মনের ভেতর ভয় কাজ করে যে কেউ আমার ক্ষতি করবে। আমি কিভাবে ভালো থাকতে পারি একটু পরামর্শ দিবেন।
কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে বলতে পারে না আমার ছেলে November 12, 2020
1 Answeredআমার ছেলের বয়স ৭ বছর। কথা বলতে পারে, তবে বেশিরভাগ সময় তাকে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে সে সেটা বলতে পারে না। তুমি কি খেয়েছ প্রশ্ন করলে সে উত্তর দেয় ওটা খেয়েছি, এটা খেয়েছি, করেছি এভাবে। স্পেসিফিকভাবে বস্তুর নাম বলে না। জায়গার নাম বলে না কিন্তু সে সেগুলোর নাম জানে। স্কুলে ভর্তি হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকমতো মনে রাখতে পারছে না। তাই তাকে স্পেশাল স্কুলে ভর্তি করাই। তবে সে প্রায়ই মিথ্যা কথা বলে সাজিয়ে গুছিয়ে। বাসায় কারো কথা শুনে না। নিজে যেটা করতে চায় তাকে সেটাই করতে দিতে হয়। তা না হলে সে মারধর করে, ভাঙচুর করে। আমার প্রশ্ন হল এটা কি কোন রোগ? যদি রোগ হয় তাহলে আমাদের করনীয় কি? আর এই রোগের নাম কি ? -মিজানুর রহমান।